আমার সম্পর্কে

জীবনী

মুহাম্মদ শাহরিন ইসলাম চৌধুরী, যিনি তুহিন নামেও পরিচিত, একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাগ্নে। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে নীলফামারী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনের রাজনৈতিক ইতিহাস
পারিবারিক এবং রাজনৈতিক পটভূমি

তুহিন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর একজন রাজনীতিবিদ।
তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাগ্নে।
তার পারিবারিক পটভূমি এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংযোগও বিএনপির অভ্যন্তরীণ কাঠামোকে প্রভাবিত করেছে।


সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব

১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও, তিনি নীলফামারী-১ আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে একই বছরের জুনের নির্বাচনে এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে তিনি আর সংসদ সদস্য হতে পারেননি।


বিএনপির সাংগঠনিক দায়িত্ব

তিনি নীলফামারী জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতেও ভূমিকা পালন করেন।


বিকল্প রাজনীতি এবং সামাজিক-রাজনৈতিক ভাষ্য

তিনি নিয়মিত রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক বিষয়গুলিতে তার মতামত প্রকাশ করেন। তিনি গণতান্ত্রিক নির্বাচন এবং নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পক্ষে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। তিনি বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডকে "ফ্যাসিবাদী" বলে সমালোচনা করেছেন এবং দেশকে গণতান্ত্রিক পথে ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মাঝেমধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং ক্ষমতার ব্যবহার নিয়েও সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন।


নির্বাসন জীবন, প্রত্যাবর্তন এবং নতুন দায়িত্ব

প্রায় ১৭-১৮ বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার পর, তিনি ২০২৫ সালে দেশে ফিরে আসেন। ফিরে আসার পর, একই বছর তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন এবং পূর্ববর্তী মামলার কারণে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। দেশে ফিরে আসার দীর্ঘ সময় পর, তিনি আবার নীলফামারীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন শুরু করেন। সেই সময়, ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশের (AEAB) ৫১ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয় এবং তুহিনকে এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়।


 
রাজনৈতিক বক্তব্য এবং মতামত

তিনি সরকারের বিভিন্ন নীতি ও কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেন।তার মতে, দেশকে দ্রুত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন। তিনি রাজনীতিতে পারিবারিক ঐতিহ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে কথা বলেন এবং তার নিজের রাজনৈতিক ভূমিকার পিছনে পারিবারিক প্রভাবও ব্যাখ্যা করেন। বেশ কয়েকটি বক্তৃতায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে "লেডি হিটলার" বলে উল্লেখ করেন এবং তার সরকারের কর্মকাণ্ডকে "ফ্যাসিবাদী" বলে অভিহিত করেন।

Activity

নীলফামারীতে বিএনপির জনসভায় ভাষণ দেন মুহাম্মদ শাহরিন ইসলাম চৌধুরী (তুহিন)
বিএনপি আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৫, ডোমার, নীলফামারী
নওতারা ইউনিয়ন আয়োজিত পথসভা, নীলফামারী
অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা, ডোমার, নীলফামারী ২০২৫
ডিমলা উপজেলা মতবিনিময় সভায় সনাতনী ভক্তবৃন্দ, ডিমলা, নীলফামারী ২০২৫
বিএনপি আয়োজিত জনসভা ২০২৫, ডোমার, নীলফামারী
Online Activist Forum Inauguration Program (AEB)
নীলফামারীতে দলিও কর্মিদের সাথে উঠান বৈঠক

নীলফামারীর জন্য তুহিনের রাজনৈতিক দৃষ্টি

  • স্থানীয় উন্নয়ন ও অবকাঠামো
    – নীলফামারীতে রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা এবং পানীয় জল ব্যবস্থার উন্নয়নের গুরুত্ব।
    – গ্রামীণ ও শহর উভয় অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।
  • শিক্ষা ও যুব উন্নয়ন
    – শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা।
    – যুবদের জন্য কর্মসংস্থান এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা।
  • স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা
    – স্থানীয় হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র উন্নত করা।
    – দরিদ্র ও অসহায়দের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
  • গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ
    – ভোটদান এবং নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব
    – জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া এবং সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা।
  • স্থানীয় অর্থনীতি এবং কৃষি উন্নয়ন
    – কৃষি ও ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন
    – স্থানীয় উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ীদের সহায়তা প্রদান।
  • রাজনৈতিক শান্তি ও সংহতি স্থানীয় রাজনীতি শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার পদক্ষেপ।
    – সকল রাজনৈতিক দল এবং জনগণের মধ্যে সংহতি ও সহযোগিতা বৃদ্ধি।